নিজস্ব প্রতিবেদক : ৩০ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ৩:২০:৪৮

বাংলাদেশ হকির অভিজ্ঞ তারকা রাসেল মাহমুদ জিমিকে বিশেষ সম্মাননা দিয়েছে ভারতের জলন্ধরে চলমান এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক কমিটি। বৃহস্পতিবার জাপানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচ শুরুর আগে ১৫০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার স্বীকৃতিস্বরূপ তার হাতে তুলে দেওয়া হয় এই সম্মাননা। তবে সম্মাননার উপলক্ষেই সামনে এসেছে আন্তর্জাতিক ম্যাচের সংখ্যা নিয়ে এক অদ্ভুত অসংগতি। আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যানের সঙ্গে জিমির ব্যক্তিগত হিসাবের ব্যবধান ৫৮ ম্যাচের।
আয়োজক কমিটির হিসাবে, জিমি খেলেছেন ১৫০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ। অথচ তার নিজের হিসাব বলছে, আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ইতিমধ্যে ২০০ ম্যাচের মাইলফলক পেরিয়ে গেছেন তিনি। গত এশিয়ান গেমসেই পূর্ণ করেছিলেন আন্তর্জাতিক ম্যাচের ডাবল সেঞ্চুরি। বৃহস্পতিবার জাপানের বিপক্ষে মাঠে নামার মধ্য দিয়ে তার আন্তর্জাতিক ম্যাচের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০৮-এ। অর্থাৎ আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির চেয়ে ৫৮ ম্যাচ বেশি খেলেছেন বলে দাবি এই অভিজ্ঞ হকি তারকার।
এই পরিসংখ্যানগত গরমিলের ব্যাখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক আরিফুল হক প্রিন্স। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশনের (এফআইএইচ) পরিসংখ্যান সংরক্ষণের সময়সীমার কারণেই তৈরি হয়েছে এই ব্যবধান। প্রিন্স বলেন, ‘আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশন (এফআইএইচ) আগে খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক ম্যাচের হিসাব রাখত না। তারা রেকর্ড সংরক্ষণ শুরু করেছে ২০১২ সাল থেকে। আর জিমি খেলা শুরু করেছেন ২০০৩ সালে। তাই তার আগের ৫৮টি ম্যাচ হিসাবের বাইরে থেকে গেছে।’
বিষয়টি সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন প্রিন্স। এশিয়ান হকি ফেডারেশনের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। প্রিন্সের ভাষ্য, ‘আমি এশিয়ান হকি ফেডারেশনের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা সফটওয়্যারে তথ্য হালনাগাদ করে দেবে বলে আশ্বস্ত করেছে।’
দুই দশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের জার্সিতে খেলছেন রাসেল মাহমুদ জিমি। জাতীয় দলের হয়ে তাঁর দীর্ঘ পথচলা দেশের হকির ইতিহাসেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অথচ আন্তর্জাতিক ম্যাচের স্বীকৃত পরিসংখ্যানে সেই দীর্ঘ ক্যারিয়ারের পূর্ণ প্রতিফলন নেই। ৫৮ ম্যাচের এই ব্যবধান ঘুচলে জিমির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রকৃত পরিসংখ্যান যেমন স্পষ্ট হবে, তেমনি বাংলাদেশের হকির ইতিহাসেও যুক্ত হবে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
Rent for add