নিজস্ব প্রতিবেদক : ৫ আগস্ট ২০২৬, বুধবার, ০:৩৯:১৯

বাংলাদেশ হকিকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে জাতীয় দলকে নতুনভাবে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছেন ফেডারেশনের কর্মকর্তারা। দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে আধুনিক হকির সঙ্গে তাল মেলাতে খেলোয়াড়দের দক্ষতা, কৌশল ও মানসিকতার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই দেশি কোচদের পাশাপাশি অভিজ্ঞ বিদেশি কোচদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এই ধারাবাহিকতায় আবারও বাংলাদেশ জাতীয় হকি দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জার্মানির অভিজ্ঞ কোচ পিটার গেরহার্ড। এর আগে বাংলাদেশের হকির সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকায় এখানকার খেলোয়াড়, পরিবেশ ও বাস্তবতা সম্পর্কে তাঁর ভালো ধারণা রয়েছে। তিনি যেখানে কাজ শেষ করেছিলেন, সেখান থেকেই নতুন উদ্যমে যাত্রা শুরু করতে চান। তাঁর লক্ষ্য, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় লড়াই করার মতো একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দল গড়ে তোলা। গেরহার্ডের প্রত্যাবর্তন জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের মধ্যেও নতুন আত্মবিশ্বাস ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।
শুধু জাতীয় দলেই নয়, ভবিষ্যতের খেলোয়াড় তৈরির দিকেও নজর দিয়েছে ফেডারেশন। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ পুরুষ হকি দলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ জাইলস বনেটকে। আধুনিক প্রশিক্ষণ পদ্ধতি ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে তরুণ খেলোয়াড়দের দক্ষতা বিকাশে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, নারী হকির উন্নয়নেও নেওয়া হয়েছে বিশেষ উদ্যোগ। নারী জাতীয় হকি দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে হংকং থেকে আসা আরিফ আলীকে। তাঁর অধীনে নারী খেলোয়াড়রা আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ও কৌশলগত দিকনির্দেশনা পাওয়ার সুযোগ পাবেন, যা বাংলাদেশের নারী হকির অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করতে পারে।
একই সময়ে জাতীয়, জুনিয়র ও নারী—এই তিন স্তরে বিদেশি কোচ নিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—আন্তর্জাতিক সাফল্য অর্জনের জন্য তারা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। এখন এই উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, তার উত্তর মিলবে মাঠের পারফরম্যান্সেই।
Rent for add